Breking News

সর্বশেষ সংবাদ সবার আগে বিস্তারিত জানতে চোখ রাখুন । আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপন দিন।বিজ্ঞপ্তি: জরুরী সংবাদকর্মী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি চলিতেছে…। আপনি কি কম খরচে Website, Bloggersite, Youtube channel, E-commica site তৈরি করতে চান? যোগাযোগ করুন বিস্তারিত : মোবাইল: 01712475454,01940103713 , দেশ - বিদেশের খবর সবার আগে জানতে সাথে থাকুন।আমাদের সংঙ্গে থাকার জন্য ধন্যবাদ এ রকম আরও ভিডিও/ সর্বশেষ সংবাদ Update News পেতে আমাদের Website /Youtube Channel পেইজে লাইক দিন৷ ❤️ ✌ ✔️ কোন মতামত বা প্রশ্ন থাকলে কমোন্ট করে জানান ।

JOKES & জোক্স হাসির জগত্‍



(১) এক শহরে পরকীয়ার খুব চল। কমবেশী সবাই করছে। এরাই আবার চার্চে গিয়ে ফাদারের কাছে কনফেশন করে তারা কি করেছে। বৃদ্ধ ফাদার এইসব শুনতে শুনতে ক্লান্ত। এক রবিবারে তিনি সবাইকে বললেন আর কেউ যদি আমার কাছে পরকীয়ার কথা স্বীকার করে তবে এই শহর আমি ছাড়ছি। শহরের লোকজন আবার ফাদারকে খুবই পছন্দ করে। এরা ভাবল পরকীয়ার নতুন কোন শব্দ বা কোড ব্যবহার করতে হবে। শহরবাসী এরপর থেকে পরকীয়ার জন্য ব্যবহার করতে লাগল “আছাড়”।
” ফাদার! আমি আছাড় খাইছি এই সপ্তাহে……”
নতুন পদ্ধতি খুব ভালো কাজ করে। ফাদার কিছুই টের পাননা।
একদিন বৃদ্ধ ফাদার মারা যান। তার জায়গায় নতুন আর অল্পবয়স্ক একজন ফাদার আসে। সে ত আছাড় খাওয়ার কথা শুনতে শুনতে অবাক। সে গেলো শহরের মেয়রের কাছে।
” মেয়র! আমাদের শহরের রাস্তাগুলো ঠিক করা দরকার। লোকজন প্রচুর আছাড় খাচ্ছে”
মেয়র বুঝলেন বেচারাকে কেউ আছাড়ের মানে বুঝিয়ে দেয় নাই। আর বেকুব ফাদারটা চলে এসেছে সরাসরি তার কাছে। তার হাসি চলে আসল।
ঠিক এমন সময় ফাদার বললেন, “আমি বুঝি না কেনো আপনি হাসছেন??? আপনার বউই ত এই সপ্তাহে তিনবার আছাড় খাইছে”

---

(২) ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে সুন্দরী শিক্ষিকা চাকুরিতে যোগ দিলেন। পড়াতে গিয়েই টের পেলেন,যুগের ছেলেরা পাল্টেছে, অতি স্মার্ট ডিজুস পোলাপান নিয়ে ম্যাডামের বেকায়দা অবস্থা। প্রথম গ্রেডে সদ্য ভর্তি হওয়া বল্টু তো বলেই বসলো, ম্যাডাম,আমি কোনো অবস্থাতেই প্রথম গ্রেডে পড়বোনা। কারণ,প্রথম গ্রেডের সব পড়ালিখা আমি অনেক আগেই শেষ করে ফেলেছি। এমনকি আমার বড় বোন যে ৩য় গ্রেডে পড়ে ,আমি ওর চেয়ে ও স্মার্ট।কাজেই মিনিমাম ,আপনি আমাকে ৩য় গ্রেডে পড়ার সুযোগ করে দিন।
ম্যাডাম, বল্টুকে নিয়ে প্রিন্সিপাল স্যারের রুমে গেলেন। সব খুলে বললেন।
প্রিন্সিপাল স্যার বললেন, ঠিক আছে,আমি তোমাকে দুয়েক টা প্রশ্ন করবো, যদি তুমি ঠিক ঠিক উত্তর দিতে পারো ,তবে তোমাকে উপরের ক্লাশে প্রমোশন দেয়া হবে।
প্রিন্সিপাল স্যার বললেন, আচ্ছা বলতো রাজু, ৩ গুন ৩ = কত?
বল্টুর জটপট জবাব, স্যার , নয়।
আচ্ছা বলতো ৮ গুন ৮ সমান কত?
এবারও বল্টুর জবাব স্যার ৬৪।
প্রিন্সিপাল স্যার ম্যাডামকে বললেন, রাজুকে উপরের ক্লাসে প্রমোশন দেয়া যায়।
রূপবতী ম্যাডাম এবার প্রিন্সিপাল স্যার কে বললেন, স্যার আমারও কিছু প্রশ্ন ছিলো, যদি আপনি অনুমতি দেন,আমিও একটু ওর মেধা যাচাই করি। প্রিন্সিপাল স্যার এবার মাথা নেড়ে সায় দিলেন। ম্যাডাম , বল্টুকে প্রথম প্রশ্ন করলেন-আচ্ছা বল্টু বলতো, গাভীর চারটা আছে,কিন্ত আমার আছে দুটো। সে টা কি?
বল্টু চুপচাপ চিন্তা করছে,আর মিটিমিটি হাসছে।
ম্যাডাম বললেন,লজ্জা পাবার দরকার নেই বল্টু । তুমি সঠিক জবাব দিও।
বল্টু বললো, ম্যাডাম, এটা হলো-আপনার দুই পা।
ম্যাডাম এবার ২য় প্রশ্ন করলেন, আচ্ছা এবার বলতো, তোমার প্যান্টের ও জায়গায় আছে,আর আমার তা নেই সেটা কি?
বল্টু লাজে হাসে।
ম্যাডাম বলেন, লজ্জা পাওয়ার কিছু নেই বল্টু।
রাজু বলেন, ম্যাডাম এটা হলো, আমার প্যান্টের পকেট।
ম্যাডামের পরের প্রশ্নঃ আচ্ছা, বলতো,এমন একটি শব্দ যা ইংরেজে লেটার C দিয়ে শুর আর T দিয়ে শেষ। জিনিসটা গোলাকার, ডিলিশাস,ভেতরে ভেজা ভেজা, আর নরম,যা পেলে সবাই তৃপ্ত হয়।
প্রশ্ন শুনে প্রিন্সিপাল স্যারের চোখ বড় বড় হয়ে গেলো। কি বলবেন ভেবে পাচ্ছেন না। চেহারা পুরো লাল হয়ে গেছে।
বল্টু বললো, ম্যাডাম এটা হলো Cocunut.
ম্যাডের পরের প্রশ্নঃ আচ্ছা এবার বলোতো, যা খুব শক্ত হয়ে কারো ভিতরে ঢুকে, আর নরম, ভেজা,আঠালো হয়ে বের হয়ে আসে?
বল্টুর জবাব, ম্যাডাম এটা হলো বাবল গাম।
ম্যাডামঃ আচ্ছা এবার বলোতো, কোন শব্দ ইংরেজি F দিয়ে শুরু আর K দিয়ে শেষ। যে শব্দ শুনলেই শরীরে যথেষ্ট উত্তাপ আর উত্তেজনা শুরু হয়-
এ প্রশ্ন শুনে প্রিন্সপাল স্যারের আবারো, লজ্জাকর অবস্থা ।
কিন্ত বল্টুর উত্তর ,ম্যাডাম এটা হলো Fire Truck.
ম্যাডামঃ বলোতো কোন শব্দ ইংরেজি F দিয়ে শুরু আর K দিয়ে শেষ। যা মানুষ না পেলে হাত ব্যবহার করে।
বল্টুর জবাব-ম্যাডাম এটা হলো-Fork.
ম্যাডামঃ বল্টু বলতো সোনা, এ জিনিসটা কারো লম্বা, আবার কারো ছোট, একেক জনের একেক সাইজের হয়।বিয়ে করার পর জামাই আদর করে বউকে দিয়ে থাকে।
বল্টুর জবাব–ম্যাডাম এটা হলো ডাকনাম।
ম্যাডামঃ বল্টু বলতো এটা পুরুষের শরীরে কোন অংশ যেখানে কোনো হাড় নেই,তবে অনেক শিরা আছে, এক রকমের মাংসপিন্ডের সমষ্টি, উত্তেজনাকর অবস্থায় বেশী অনুভূত হয়। বিশেষ করে যা দিয়ে ভালোবাসা বাসি বুঝা যায়।
বল্টুর জবাব, ম্যাডাম এটা হলো হার্ট বা হৃদয়।
শুনার পর প্রিন্সিপাল স্যার যেন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন। ম্যাডাম কে বললেন ওকে ৮ গ্রেডেই প্রমোশন দেয়া হোক। কারণ শেষের কয়েকটি প্রশ্নের জবাব আমি নিজেই ভুল করেছি।

(৩) আরাম খানের পোলা বল্টু। বল্টু একদম নামাজ পড়ে না। আরাম বল্টুকে অনেক বুঝালেন। কিছুতেই কাজ হলোনা। শেষমেষ আরাম বল্টুকে বললেন।
: বল্টু এখন থেকে নামাজ পড়লে তোকে ৫টাকা করে দিব।
বল্টু তো কথা শুনে মহা খুশি। সে খুশিমনে নামাজ পড়তে গেল। নামাজ পড়ে এসে আব্বাকে বললো,
: আব্বা, নামাজ পড়ে এসেছি। এবার টেকা দাও।
: কিসের টাকা? তুই নামাজ পড়ছিস নেকী পাইছিস। তোকে আবার টাকা দেব কেন?
: আব্বা, আমি জানতাম তুমি এইরকম করবা। আমিও কম যাইনা। আমি নামাজ ঠিক-ই পড়ছি। কিন্তু ওজু করি নাই।



(৪) আরাম খানের ছেলে বল্টু একদিন তার বাবাকে জিজ্ঞাস করছে, “বাবা, মেয়েদের কত রকমের বুক আছে?”
আরাম খান একটু বিব্রত হলেও ছেলেকে শেখানোর স্বার্থে বললো, তিন রকমের বুক আছে।
২০ – ৩০ বছর বয়সে তাদের বুক থাকে লেবুর মতো, গোল আর মজবুত।
৩০ – ৪০ বছর বয়সে তাদের বুক থাকে নাশপাতির মতো, তখনও সুন্দর দেখায় কিন্তু একটু ঝুলে যায়।
৪০ -৫০ বছর বয়সে তাদের বুক হয় পেঁয়াজের মতো।
- পেঁয়াজের মতো? ছেলে অবাক।
- হ্যাঁ, যদি সেগুলো দেখো, তোমার কান্না পাবে।

(৫) আরাম খান আর তার স্ত্রী গিয়েছেন তাদের হানিমুনে। বউ যখন এলিভেটরের দিকে রওনা হল, খুব সুন্দর একটি মেয়ে আরাম খান কে জিজ্ঞেস করলেন তার কোন স্পেশাল চাহিদা আছে কিনা, কোনরকম দরকার হলে যেন ডেস্কে তিনি জানাতে না ভুলেন। স্ত্রী দূর থেকে মেয়েটিকে দেখে আর তার কথা শুনে খুবই মুগ্ধ হলেন। এলিভেটরে উঠতে উঠতে বললেন, এই বিদেশীদের হোটেল কত ভাল, ব্যবহার কত ভাল…সবার দিকে কী খেয়াল রাখে! আরাম খান বললেন, আরে না…এই মেয়েটি একটি প্রস্টিটিউট।
স্ত্রী কিছুতেই স্বামীর একথা বিশ্বাস করলেন না। রুমে ঢুকে তিনি স্বামীকে, প্রমাণ করতে বললেন। আরাম খান বললেন, আচ্ছা ঠিকাছে। আমি ডেস্কে ফোন করে মেয়েটিকে পাঠাতে বলছি…তুমি লুকিয়ে থাক।
মেয়েটি রুমে এসেই আরাম খানকে জিজ্ঞেস করলেন, তিনি কী চান। আরাম খান ঘাঘু লোক…সরাসরি বললেন, তিনি খুব একা বোধ করছেন, তার সঙ্গী চাই। মেয়েটি বলল, আমার একরাতের চার্জ ১৫০ ডলার। আরাম খান বললেন, অনেক বেশি চাইছ। আমি ২৫ ডলার পর্যন্ত দিতে পারি। মেয়েটি অপমানিত বোধ করে চলে গেল।
বউ অবাক হলেন; স্বামীর বুদ্ধিমত্তায় আকৃষ্ট হয়ে তিনি স্বামীকে সোহাগে-আদরে ভরিয়ে দিলেন। কিছুক্ষণ পর, তারা গেলেন হোটেলের নীচতলায় ডিনার করতে। তারা ডিনার করে রুমে ফেরত যাচ্ছেন, এমন সময় আবার সেই মেয়েটির সাথে দেখা। মেয়েটি দেখেই তাচ্ছিল্যের হাসি হেসে আরাম খানকে বললেন, দেখ ২৫ ডলারে তোমার কী জুটেছে!

(৬) এক লোক বারে গিয়ে বিয়ার খেতে থাকলো। এক সময় তার পাশে খুব সুন্দরী একটা মেয়ে এসে বসলো। তো বারে সুন্দরী মেয়ে দেখে লোকটার খুব ইচ্ছা হলো মেয়েটিকে চেখে দেখার!
প্রথম স্টেপ হিসেবে সে মেয়েটিকে ড্রিংক্স অফার করলো। কিন্তু মেয়েটির প্রতিক্রিয়া হলো দেখার মতো।
মেয়েটি সবার সামনে চিৎকার করে বলে উঠলো, “কি! আপনি আমার সাথে সেক্স করতে চান?! কক্ষনো না!!”
এই কথা বলে মেয়েটি বেরিয়ে গেলো।
লোকটি তো পুরা ভ্যাবাচেগা খেয়ে গেল! বারের সবাই তার দিকে তাকিয়ে ছিল। সে চরম লজ্জিত হলেও কিছুই হয়টি এমন ভাব নিয়ে বসে বসে বিয়ার খেতে লাগলো।
একটু সময় পর সেই মেয়েটি আবার ফিরে এসে তার পাশে বসলো।
মেয়েটি বললো, “একটু আগের ঘটনাটির জন্য দুঃখিত। আসলে আমি সাইকোলজির স্টুডেন্ট। আমি দেখতে চাইছিলাম মানুষ চরম লজ্জাজনক অবস্থায় পড়লে কি করে।”
এবার লোকটি চিৎকার করে বলে উঠলো, “কি!! শুধুমাত্র ১বার ব্লো-জবের জন্য ২০০ ডলার!! মগের মুল্লুক পাইছো??”

(৭) পিটার তার বন্ধু ববের সাথে নৌকায় ঘুরতে বের হলো। হঠাৎ প্রচন্ড ঝড় উঠলো। তারা কোনরকমে তীরের কাছে একটা ফার্ম হাউজে এসে উঠলো। দরজায় ধাক্কা দিতে একজন সুন্দরী মহিলা দরজা খুললো। দুই বন্ধু রাতে থাকার জন্য তার কাছে আশ্রয় চাইলো।
‘কিছুদিন হলো আমার স্বামী মারা গেছেন।’ মহিলা বললো। ‘আমি তোমাদের বাড়িতে জায়গা দিলে লোকে নানা কথা বলবে।’
‘ঠিক আছে, ম্যাম। আমরা বুঝতে পেরেছি। আমরা আস্তাবলে শুতে পারবো।’ পিটার বললো।
মহিলা তাতে রাজি হলেন। এবং দুই বন্ধু আস্তাবলে শুয়ে পড়লো।
পিটার ঘুমিয়ে পড়লে বব মাঝ রাতে মহিলার রুমে গেল। পরে ভোরে আবার এসে পিটারের কাছে শুয়ে পড়লো। পিটার কিছুই টের পেল না।
নয় মাস পর, পিটার সেই বিধবা মহিলার উকিলের কাছ থেকে একটা চিঠি পেলো। বন্ধু ববের কাছে গিয়ে বললো, ‘মনে আছে, আমরা কয়েক মাস আগে এক ফার্ম হাউজে এক সুন্দরী বিধবার দেখা পেয়েছিলাম?’
‘হ্যাঁ, মনে আছে।’
‘তুই কি ঐ রাতে ঘুম থেকে উঠে মহিলার সাথে কিছু করেছিলি?’
‘হ্যাঁ, স্বীকার করি, করেছিলাম।’
‘তুই কি তখন তাকে নিজের নাম না বলে আমার নাম বলেছিলি?’
‘দোস্ত, মাফ করে দে। আমার ভুল হয়ে গেছে।’ ধরা পড়ে বব বললো।
‘না-রে, বরং তোকে ধন্যবাদ জানাতে এসেছি।’ পিটার হেসে বললো। ‘ঐ বিধবা কয়েকদিন আগে মারা গেছে আর সব সম্পত্তি আমার নামে করে গেছে।’



(৮) আরাম খান গিয়েছিল একটা কথা বলা টিয়া পাখি কেনার জন্য। অনেক খুঁজে শেষে পেল একটা টিয়া পাখি, পাখিটা তাকে দেখে বলল “লাল লাল লাল!”
আরাম ভাবল আরে আমি তো লাল আন্ডারওয়ার পরেছি টিয়া টা জানল কি ভাবে।
তাই সে পরের দিন কালো আন্ডারওয়ার পরে আবার পাখিটার সামনে আসলো, এবার পাখিটা তাকে দেখে বলল “কালো কালো কালো!”
সে ভাবল কি করা যায় ।
পরের দিন সে আন্ডারওয়ার ছাড়াই আসল ।
এবার পাখি টা তাকে দেখে বলল, “শামুক! শামুক!”

(৯) দুই বন্ধুর কথোপকথোন,
১ম বন্ধু: “কিরে কি হয়েছে? এত বিমর্ষ লাগছে কেন?”
২য় বন্ধু: “তোর নিশ্চয়ই স্যালির কথা মনে আছে?”
১ম: “সেই মেয়েটি তো যাকে দেখলেই তোর ঐটা খাড়া হয়ে যায়?!”
২য়: “ফাজলামি করিস না! আমি ওকে খুবই পছন্দ করি!”
১ম: “জানি। কি হয়েছে তাই বল।”
২য়: “না মানে ওকে দেখলেই আমার ওটা দাঁড়িয়ে যায় বলে তো আমি ওর সামনেই যেতে পারতাম না লজ্জায়”
১ম: “হুমম।”
২য়: “তো আমি ওকে ফোন করে বাইরে খেতে যেতে বলি। আশ্চর্য হলো ও সাথে সাথেই রাজি হয়ে যায়!”
১ম: “আমি তো আগেই বলেছিলাম যে ও তোকে পছন্দ করে! বিশ্বাস হলো তো?”
২য়: “যাই হোক, ঐ দাঁড়িয়ে যাওয়া সমস্যার হাত থেকে বাঁচার জন্য আমি ওর বাসায় যাওয়ার আগে আমার ওটাকে ডান পায়ের সাথে টেপ দিয়ে খুব ভাল করে আটকিয়ে নিয়ে যাই!”
১ম: “বলিস কি!! তারপর?”
২য়: “আমি স্যালির বাসায় গিয়ে বেল বাজালাম। স্যালিই দরজা খুলে দিলো!”
১ম: “তারপর?”
২য়: “স্যালি পড়ে ছিল টকটকে লাল রংয়ের শর্টস্কাট!”
১ম: “এরপর কি হলো?”
২য়: “আর কি হবে! আমার পায়ের শক্ত লাথি খেয়ে স্যালি এখন হাসপাতালে! সামনের পাটির ৪টা দাঁত পড়ে গেছে ওর; লাথি খেয়ে! আমার আর প্রেম করা হলো না রে…!”

(১০) এক লোক পার্টি দিয়ে তার বন্ধুদের বললো, আমার সুইমিং পুলটা জাদুর। সুইমিং পুলে নেমে যে তরল আবুলর্থের নাম করবে পুরো পুলের পানি সেই আবুলর্থ হয়ে যাবে।
তার এক বাঙালি বন্ধু পুলে নেমে বললো, কোক। সাথে সাথে পুরো পুলের পানি কোকে পরিবর্তন হয়ে গেলো। সে প্রাণ ভরে কোক খেয়ে উঠে এলো।
এবার তার এক রাশিয়ান বন্ধু নেমে বললো, ভদকা। সাথে সাথে পুরো পুলের পানি ভদকায় পরিবর্তন হয়ে গেলো। সে প্রাণ ভরে ভদকা খেয়ে উঠে এলো।
এবার তার এক আমেরিকান বন্ধু ঝাঁপ দিতেই বাঙালিটি তাকে মনে করিয়ে দিলো, আরে, তোমার পকেটে তো মোবাইল ফোনটা রয়ে গেছে।
আমেরিকান বললো, শিট!

No comments:

Post a Comment

Thank you for your message, I see all your messages, it is not possible to reply many times due to busyness, I hope I will reply to everyone in time, thank you for being with me.

Popular Posts